রবিবার, ২৫ জুলাই ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১, ০৯:৩৯:১৮

পুলিশ আসতেই দৌড়ে পালালেন বর-কনেসহ অতিথিরা

পুলিশ আসতেই দৌড়ে পালালেন বর-কনেসহ অতিথিরা

ঢাকা: মহামারী করোনার প্রাদূর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে রীতিমতো কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া করে চলছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। ৫ থেকে ৬শ অতিথির উপস্থিতিতে রীতিমতো সাজসাজ রব, কেউ খাচ্ছেন, কেউ বা আবার উপহার বুঝিয়ে দিয়ে পান চিবুতে চিবুতে খোশগল্পে মাতছেন। থেমে ছিল না শাড়ি লেহেঙ্গার ঝকমারি সাজে বিয়ে আনন্দে। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলাধীন নোয়াপাড়া ইউনিয়নের চট্টগ্রাম কাপ্তাই রোড সংলগ্ন কর্ণফুলী কনভেনশন হলে আজ সোমবার (২৮ জুন) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।

রাউজান পুলিশ সুত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া কর্ণফুলী কনভেনশন হলে ৫ থেকে ৬শ অতিথির উপস্থিতিতে বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি (রাউজান রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেন শামীম। ঘটনাস্থলে পুলিশের আগমনে দেখে সবাই প্লেট,খাবার-দাবার, উপহার ফেলে দৌড়ে পালাতে শুরু করে অতিথিরা, বাদ যাননি বর রফিকুল ইসলাম এবং কনে শাহনাজ বেগমও। সুযোগ বুঝে সন্তর্পণে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন বর কনে দুইজন। পরবর্তীতে ঘন্টা দুয়েক পর কমিনিউটি হলের ব্যবস্থাপক জামাল উদ্দিন বাদশা এবং পাত্রীর বাবা মো. জামাল উদ্দিনের হদিস মেলে। পরে তারা দুইজন এএসপির নিকট এই মর্মে মুচলেকা দেন যে, তারা সরকারি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আর কখনো এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন না।

রাউজান থানার অফিসার ইনর্সাজ (ওসি) আবদুল্লা আল হারুন বলেন, পুলিশের চোখকে ফাকি দিয়ে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে এসে সাথে সাথে বিয়ের অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেন। এবং বর এবং কনের পিতা মুচলেখা দেন সরকারী নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আর বিযের আয়োজন করবেন না।

 

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?