বৃহস্পতিবার, ০৫ আগস্ট ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ২১ জুন, ২০২১, ০২:৩৬:৩৭

শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা: ৭ জনের জামিন আপিলেও স্থগিত

শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা: ৭ জনের জামিন আপিলেও স্থগিত

ঢাকা : ২০০২ সালে সাতক্ষীরায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ৭ জনকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতিসহ ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

৭ জনকে জামিন দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে আপিল বিভাগ এ আদেশ দিলো।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এম আমিন উদ্দিন। আসামিপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

এর আগে, গত ২৬ মে ওই ৭ আসামিকে জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে পরের দিন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়। সাথে আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

সে অনুসারে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য আসলে ৩০ মে রাষ্ট্রপক্ষকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে লিভ টু আপিল করতে বলা হয়। এই সময় পর্যন্ত হাইকোর্টের দেয়া জামিনাদেশ স্থগিত থাকবে।

হাইকোর্টে জামিনপ্রাপ্তরা হলেন আবদুস সাত্তার, গোলাস রসুল, আব্দুস সামাদ, জহিরুল ইসলাম, রাকিব, শাহাবুদ্দিন ও মনিরুল ইসলাম।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০০২ সালে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার এক মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। ওই বছরের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ওই মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীকে দেখে মাগুরায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে তার গাড়িবহর পৌঁছালে একদল সন্ত্রাসী লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র, বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তারা গুলিবর্ষণ করে এবং বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পেলেও তার গাড়িবহরে থাকা সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী ফাতেমা জাহান সাথী, জোবায়দুল হক রাসেল, শেখ হাসিনার ক্যামেরাম্যান শহীদুল হক জীবনসহ অনেকেই আহত হন। আহত হন বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও। ওইদিনই কলারোয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেম উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এরপর ২০১৫ সালে এ ঘটনায় আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়। এর মধ্যে হত্যাচেষ্টা মামলায় এক আসামি রাকিবের বয়স ঘটনার সময় ১০ বছর ছিল উল্লেখ করে হাইকোর্টে মামলা বাতিলে আবেদন করা হয়। ২০১৭ সালে ওই আবেদনে একই সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করেন।

গত বছরের ৮ অক্টোবর ওই রুল খারিজ করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাকিব। এ আবেদনে আপিল বিভাগ তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। এরপর বিচার শেষে সাতক্ষীরার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ৪ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ তিনজনের সর্বোচ্চ ১০ বছর করে এবং বাকি ৪৭ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে রায় বিচারিক আদালত।

পরে হাইকোর্টে এসে জামিন আবেদন করেন আসামিরা।

এই বিভাগের আরও খবর

  যশোরে বিদ্যুৎ চোর ইয়াসিনকে এক লাখ ৩২ হাজার টাকা জরিমানা

  দেশে একদিনে হাসপাতালে ভর্তি আরও ২১৮ জন ডেঙ্গু রোগী

  দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যুর সর্বোচ্চ রেকর্ড

  করোনা উপসর্গে মৃত্যু হওয়ায় কবর জিয়ারতে বাধা, আহত ১০

  নায়িকা পরীমণিকে গ্রেফতার দেখিয়েছে র‍্যাব

  ছয় মাসে ৬৯৭ নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার: মহিলা পরিষদ

  অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালুর ঘোষণা

  তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে এনজিওগুলোর ভূমিকা উদ্বেগজনক: টিআইবি

  দেশে করোনা আক্রান্তদের ৯৮ শতাংশের শরীরেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

  হাতিয়া কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত ইলিয়াস আটক

  ১০ আগস্ট পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?