মঙ্গলবার, ২২ জুন ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০৯ জুন, ২০২১, ০৭:২৭:২২

নোয়াখালীতে ডায়রিয়া মৃত্যু ১০, আক্রান্ত সহস্রাধিক

নোয়াখালীতে ডায়রিয়া মৃত্যু ১০, আক্রান্ত সহস্রাধিক

নোয়াখালী : নোয়াখালীতে গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০ জন। এছাড়া সহস্রাধিক আক্রান্ত হলেও জেলা সিভিল সার্জন অফিস ৬ শতাধিক আক্রান্ত ও ৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন।

নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন অফিস, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল সুবর্ণচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্বাস্থ্যবিভাগ ও জেলা জন প্রতিনিধিদের সূত্রে জানা যায়, মাত্রাতিরিক্ত গরমে জেলার প্রায় পুকুর দিঘি নালা, নর্দমা শুকিয়ে গেছে। যার ফলে গভীর ও অগভীর নলকূপের পানির স্তরও নেমে যাওয়ায় টিউব অয়েলের পানি লবণাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়ে। যার ফলে সুবর্ণচর, হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ, সদর ও বেগমগঞ্জে ব্যাপক হারে ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাছুম ইফতেখার জানান, গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬০৬ জন। এর মধ্যে ৬ জন মারা গেছেন।

এর আগে এপ্রিল ও মে মাসে জেলায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল ৪ হাজার ৭৭১ জন এবং মারা গিয়েছেন ১৪ জন। সুবর্ণচর, হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাটে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি বলে জানিয়েছেন জেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

সুবর্ণচরের চরবাগ্গা এলাকার প্রায় বাড়িতে ২-৩ জন করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী রয়েছে। তবে এদের মধ্যে শিশু ও বয়োবৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বেশী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানান, দীর্ঘ গরমে পুকুরগুলো শুকিয়ে গেলে স্থানীয়রা কলের পানি ব্যবহার করছে। কলের পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানি আয়রন ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়ায় এবং বৃষ্টির পর পুকুরের জমানো পানি ব্যবহার করেই এই ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত: ১০ জন মারা গেছেন। এছাড়া সহস্রাধিক আক্রান্ত বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়।

সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, তারা ডায়রিয়া আক্রান্ত এলাকা জরিপ করে দেখেছে যে, চরজব্বর, চরবাগ্গা, চর জুবলী এলাকায় আক্রান্তের হার বেশি। এই পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে সচেতন হওয়ার জন্য তারা প্রচারণা চালাবেন।

সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শায়লা জানান, কিছুতেই এ উপজেলার ডায়রিয়া পরিস্থিতি আয়ত্তে আনা যাচ্ছে না। এখানে ডায়রিয়ার এন্টিবায়োটিক ওষুধসহ পর্যাপ্ত কলেরা স্যালাইনেরও অভাব দেখা দিয়েছে।

এদিকে নোয়াখালী সদর, বেগমগঞ্জ ও চাটখিলেও ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও প্রাইভেট হাসপাতাল গুলিতেও ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হচ্ছে। জেলার কলেরা স্যালাইনসহ পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ রয়েছে বলে জেলা সিভিল সার্জন নিশ্চিত করেছেন।

আজকের প্রশ্ন

পুরো ঢাকায় ‘অঘোষিত কারফিউ’ চলছে। সরকার জনগণকে জিম্মি করে জনগণকে বাদ দিয়ে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে ব্যস্ত। ফখরুলের এক মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?