শিরোনাম :
নথি থেকে চেক চুরি করা সেই আইনজীবীর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা জাপানের জলসীমায় ‘অজ্ঞাত অস্ত্র’ ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া দ্বিতীয় ডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৬৫ লাখ মানুষ ড্রেনে পড়ে নিখোঁজের ৫ ঘণ্টা পর কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার বিশ্বে করোনায় ফের বাড়লো সংক্রমণ-মৃত্যু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন আজ দেশের মর্যাদা রক্ষায় বন্ধ হচ্ছে পুরাতন পোশাক আমদানি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির এবার ই-কমার্সের লাগাম টানতে কারিগরি কমিটি এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়: মির্জা আব্বাস আবারও সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি : তাজুল ইসলাম বাংলাদেশে করোনায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১,২১২ দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২১৪ রাজধানীতে বাসায় ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ মিয়ানমারে বিমান হামলা, ব্যাপক সংঘর্ষ

চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

  • শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকের অবহেলায় রিনা বেগম (২৬) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস মেডিকেল সেন্টারে তার মৃত্যু হয়।

রিনা বেগম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের রাঙাচিরা গ্রামের ইসরাইল মিয়ার স্ত্রী।

নিহতের স্বামী জানান, তার স্ত্রীর প্রসব ব্যাথা শুরু হলে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে টাঙ্গাইল শহরের নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস সেন্টারে তাকে ভর্তি করা হয়।

সেখানে গাইনি ডাক্তার ডা. সাজিয়া আফরিনের নেতৃত্বে অস্ত্রপাচারের (সিজার) মাধ্যমে রিনা বেগম কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। পরে তাকে কেবিনে নেওয়ার পর রাতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে।

বিষয়টি ক্লিনিকের নার্সকে জানালে তিনি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তারকে অবগত করেন। তাদের একাধিকবার ফোন করার পরও তারা আসেননি। পরে সকালে রিনার অবস্থার অবনতি হলে ক্লিনিকের পক্ষ থেকে তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়। সেখানে নেওয়ার সময় পথে তার মৃত্যু হয়।

ইসরাইল মিয়া আরও জানান, ডাক্তার ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আমার মেয়ে এতিম হয়েছে। আমার মেয়েকে যে এতিম করলো আমি ওই ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকের শাস্তি দাবি করছি। এ ঘটনার পর ক্লিনিকের ম্যানেজার ও মালিক পালিয়েছে।

রিনা বেগমের মা চায়না বেগম বলেন, সিজার ভালভাবে করা হয়নি। সিজার করার পর পরই পেট ফুলতে থাকে। পেটের দুই পাশ দিয়ে রক্ত পড়া শুরু হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমার মেয়ে বারবার ডাক্তারের কথা বলেছে। কিন্তু ডাক্তার আসেনি।

ডাক্তারের অবহেলায় আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আমাকে যারা সন্তানহারা করলো আমি তাদের কঠিন শাস্তি দাবি করছি।

ক্লিনিকের নার্স অনামিকা সরকার জানান, আমি সকাল থেকে দায়িত্ব পালন করছি। রাতে ও গতকাল কী হয়েছে আমি তা জানি না।

নূরুল আমিন খান মাল্টিপারপাস মেডিকেল সেন্টারের মালিক মো. সরোয়ার হোসেন খান জানান, আমি খুবই ব্যস্ত আছি। আপনার সঙ্গে পরে কথা হবে।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved