শিরোনাম :
সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হাইকোর্ট দরজা ভেঙে ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা জার্মানির নির্বাচনে জয়ী মধ্য-বামপন্থি এসপিডি, হেরে গেল মারকেলের দল সমকামী বিয়ের বৈধতা দিচ্ছে সুইজারল্যান্ড যুবদলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সাংবাদিকসহ আহত অনেকে বাংলাদেশে পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী সূচকের উত্থানে লেনদেন চলছে ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস’ আজ ‘মার্কিন আপত্তি সত্ত্বেও তুরস্ক আরো এস-৪০০ কিনতে পারে’ ট্রেনের ছাদে যেভাবে দুই যাত্রীকে হত্যা করে ডাকাতরা করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু কমেছে করোনার পর ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী স্কুলে আসছে না উপকূলে আঘাত হেনেছে ‘গুলাব’, নিহত ২ চোর সন্দেহে গণপিটুনি: তরুণী নিহত

কোম্পানীগঞ্জে প্রকাশ্যে গুলি ছোড়া তরুণ অস্ত্রসহ গ্রেফতার

  • বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নোয়াখালী : নানা ঘটনা, অস্ত্র হাতে মহড়া ও হামলার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার বেশ কয়েক মাস পর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত সহিদ উল্যাহ প্রকাশ কেচ্চা রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় এলজি, একটি পাইপগান ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।

অপরদিকে একই রাতে কোম্পানীগঞ্জের মুছারপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম শাহীন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।

তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের লোহারপুল এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাসেল বসুরহাট পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের করালিয়া গ্রামের শফি উল্যাহর ছেলে। তিনি বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা অনুসারী হিসেবে অপরিচিত।

পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় পুলিশ আক্রান্ত ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ১৫টি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ২টি, ডাকাতি দস্যুতা ৩টি, চুরি ১টিসহ মোট ২৩টি মামলা রয়েছে।

জানা গেছে, সর্বশেষ বসুরহাট বাজারে চলতি বছরের ১৩ মে প্রতিপক্ষেও নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে গুলি করলে আলোচনায় আসে রাসেল।

গত ৬ মাসের বেশি সময় ধরে কোম্পানীগঞ্জে চলে আসা রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মূল হোতা এই রাসেল।

আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী হিসেবে তার বিরুদ্ধে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নূর নবী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহ জাহান সাজু, ছাত্রলীগ নেতা করিম উল্যাহ শাকিল ও সাংবাদিক সুভাস চন্দসহ অন্তত ২০ জনকে গুলি করে, পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এদের মধ্যে অনেকে এখনো পঙ্গুত্ব অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সর্বশেষ চলতি বছরের ১৩ মে বিকেলে বসুরহাট পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড করালিয়া এলাকায় মিজানুর রহমান বাদল সমর্থকদের গুলি করতে গেলে সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে তার অস্ত্র হাতের ছবি।

রাসেল ও শাহীনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত রাসেলের কাছ থেকে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved