শিরোনাম :
২৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে ইউজিসির সতর্কতা জারি দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ২৫৪ জন কুয়াকাটা হবে আন্তর্জাতিক মানের নান্দনিক সীবীচ ভারতে আরও ২ হাজার ৫২০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন ‘শনিবার থেকেই বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা’ উপসর্গ থাকলে স্কুলে না পাঠানোর আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর বাংলাদেশে করোনায় আরও ২৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১১৪৪ সূচকের মিশ্রাবস্থা, কমেছে লেনদেন ফের উত্তপ্ত কাচঁপুর, পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ভাঙ্গচুর, গুলি স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন দেশে কিশোর গ্যাংয়ের অস্বিত্ব থাকবে না: র‌্যাব এডিজি রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ৮ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জে আহত ১০ ডা. জাফরুল্লাহ স্বৈরাচার এরশাদের দোসর ছিলেন : রিজভী সম্মতিতে যৌনমিলন ধর্ষণ নয় : হাইকোর্ট

কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ

  • বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ঢাকা: প্রকৃত আসামি শনাক্ত করতে কারাগারে ক্রমান্বয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে নাশকতার মামলায় ভুল আসামি জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

গত সপ্তাহে নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর খিলগাঁও থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর বসুরহাটের মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নয় মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয় পিবিআই। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

গত বছরের ১০ মার্চ হাইকোর্টের একই বেঞ্চ এক আদেশে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার কার্যকারিতা স্থগিত করেন। একইসঙ্গে নোয়াখালীর জহির উদ্দিন ওই মামলার প্রকৃত আসামি কি না, তা তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার আলম দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জহির উদ্দিনকে খিলগাঁও থানার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামি হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জহির উদ্দিন প্রকৃতপক্ষে গ্রেফতারি পরোয়ানাধারী ব্যক্তি নয়। প্রকৃত আসামি মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

অ্যাডভোকেট শিশির মনির জানান, রাজধানীর খিলগাঁও থানায় ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল দায়ের হওয়া মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) পুলিশ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারীকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আজগর আলী মোল্লা বাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নামে পরিচয় দেন।

এরপর ওই বছরের ৩১ অক্টোবর মোদাচ্ছের জামিন পেয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান। তিনি জহির উদ্দিন নামেই আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন।

এদিকে, পুলিশ তদন্ত শেষে জহির উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল অভিযোগপত্র দেয়। এরপর ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর জহিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এ অবস্থায় জহির উদ্দিন তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved